বিকাশ-নগদ প্রতারণা: ৭টি কৌশল আর বাঁচার উপায়
ভুল করে টাকা পাঠানো, অফিস থেকে ফোন, ক্যাশব্যাক, একাউন্ট বন্ধের ভয়: বিকাশ ও নগদ প্রতারকদের সবচেয়ে প্রচলিত কৌশল চিনুন।
মনে রাখার একটাই নিয়ম
বিকাশ, নগদ, রকেট বা কোনো ব্যাংক কখনো ফোন করে আপনার পিন বা ওটিপি চায় না। যে চায়, সে প্রতারক। কোম্পানির নাম, লোগো বা "হেড অফিস" শুনে বিশ্বাস করবেন না।
প্রতারকদের ৭টি প্রচলিত কৌশল
১. "ভুল করে টাকা চলে গেছে"
আপনার নম্বরে একটা ভুয়া "টাকা জমা" এসএমএস আসে, তারপর কেউ কাঁদো গলায় টাকা ফেরত চায়। আসলে কোনো টাকা আসেনি। এসএমএস নয়, অ্যাপে ব্যালেন্স দেখে নিন।
২. "আপনার একাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে"
"হেড অফিস থেকে বলছি, তথ্য হালনাগাদ না করলে একাউন্ট বন্ধ হবে" বলে কোড চায়। আসল প্রতিষ্ঠান এভাবে ফোন করে না।
৩. ক্যাশব্যাক বা লটারি জিতেছেন
পুরস্কার পেতে "রেজিস্ট্রেশন ফি" বা ওটিপি চাওয়া মানেই প্রতারণা। সত্যিকারের পুরস্কারে আগে টাকা দিতে হয় না।
৪. এজেন্ট সেজে "সমস্যা সমাধান"
দোকানের এজেন্ট বা কাস্টমার কেয়ার পরিচয়ে বলে, ডায়াল করে কিছু নম্বর চাপতে। এতে আসলে আপনিই তাদের টাকা পাঠিয়ে দেন।
৫. আত্মীয়ের দুর্ঘটনা
"আপনার ছেলে দুর্ঘটনায় পড়েছে, এখনই টাকা পাঠান"। ফোন রেখে নিজে পরিবারের সদস্যকে ফোন করে নিশ্চিত হন।
৬. চাকরি বা বিদেশে কাজের অগ্রিম
চাকরি বা ভিসার জন্য ব্যক্তিগত নম্বরে অগ্রিম টাকা চাইলে সাবধান। সরকারি প্রক্রিয়া কখনো ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে হয় না।
৭. লোন অ্যাপের হুমকি
অনুমোদনহীন লোন অ্যাপ আপনার কন্টাক্ট লিস্ট নিয়ে পরে হুমকি দেয়। অ্যাপকে কন্টাক্ট বা গ্যালারির অনুমতি দেবেন না।
টাকা চলে গেলে কী করবেন
- সাথে সাথে হেল্পলাইনে কল করুন: বিকাশ ১৬২৪৭, নগদ ১৬১৬৭, রকেট ১৬২১৬।
- ট্রানজেকশন আইডি আর স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করুন।
- থানায় বা অনলাইনে জিডি করুন।
- অন্যদের বাঁচাতে নম্বরটি এখানে অভিযোগ করুন।