কী লেখা যাবে, কী যাবে না
আসল নাকি মানুষের বিচার করে না। আমরা শুধু নম্বর, পেজ আর লিংকের বিরুদ্ধে প্রমাণসহ অভিযোগ দেখাই, যাতে অন্যরা টাকা পাঠানোর আগে সাবধান হতে পারেন। প্রতিটা অভিযোগ আমাদের মডারেটর প্রমাণ দেখে তবেই প্রকাশ করেন।
যা দেওয়া যাবে
- নিজের সাথে ঘটা প্রতারণার ঘটনা
- প্রতারণায় ব্যবহৃত মোবাইল, বিকাশ, নগদ, রকেট নম্বর
- ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট, টেলিগ্রাম বা হোয়াটসঅ্যাপের লিংক/আইডি
- লেনদেন, চ্যাট বা এসএমএসের স্ক্রিনশট, কল রেকর্ড, ট্রানজেকশন আইডি
- সংক্ষেপে কী ঘটেছে: কবে, কীভাবে, কত টাকা
যা কখনো দেওয়া যাবে না
- কারো নাম, ছবি, ঠিকানা, এনআইডি বা পরিবারের তথ্য
- ব্যক্তিগত শত্রুতা, ধার-পাওনা, পারিবারিক বা সম্পর্কের বিবাদ
- রাজনৈতিক বা ধর্মীয় অভিযোগ
- শোনা কথা, বা প্রমাণ ছাড়া অন্যের হয়ে অভিযোগ
- গালিগালাজ, হুমকি, কাউকে "প্রতারক" বা "চোর" ঘোষণা
- বানানো বা সম্পাদিত প্রমাণ
অভিযোগ যেভাবে প্রকাশ হয়
- অভিযোগ করতে নাম বা ফোন নম্বর লাগে না। আমরা অভিযোগকারীর কোনো ব্যক্তিগত তথ্য রাখি না।
- অন্তত একটা প্রমাণ (স্ক্রিনশট বা অডিও) বাধ্যতামূলক। প্রমাণ কখনো প্রকাশ হয় না।
- মডারেটর প্রমাণ মিলিয়ে দেখেন। নাম-ঠিকানা মুছে, শুধু ঘটনার বিবরণ প্রকাশের জন্য অনুমোদন দেন।
- কোনো অভিযোগ নিজে থেকে প্রকাশ হয় না।
ভুল অভিযোগ হলে
নম্বর বা পেজটি আপনার হলে এবং অভিযোগ ভুল মনে হলে, সেই নম্বরের পাতা থেকে "আপত্তি জানান" চাপুন। মডারেটর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দেন। মোবাইল নম্বর অনেক সময় নতুন গ্রাহককে দেওয়া হয়, তাই পুরোনো অভিযোগের পাশে আমরা সেটা উল্লেখ করি।
দায়
অভিযোগের তথ্য ও প্রমাণের সত্যতার দায় অভিযোগকারীর। জেনেশুনে মিথ্যা অভিযোগ, বানানো প্রমাণ বা কারো সম্মানহানির উদ্দেশ্যে কিছু জমা দেওয়া প্রচলিত আইনে দণ্ডনীয় হতে পারে। এমন অভিযোগ আমরা প্রকাশ করি না এবং মুছে ফেলি।
এটা আইনি অভিযোগ নয়
এখানে অভিযোগ দেওয়া থানায় জিডি বা মামলার বিকল্প নয়। টাকা হারালে দ্রুত হেল্পলাইন, থানা ও সাইবার পুলিশের সাথে যোগাযোগ করুন। নিচের নির্দেশিকা দেখুন।